Sunday, January 24, 2021

শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্লাস(ইপিপি)

শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্লাস কী?

আপনার সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্লাস হচ্ছে এমন একটি পরিসেবা যা আপনার সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।শিক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে আপনার সন্তান পুরোপুরি আপনার আয়ের উপর নির্ভরশীল।এক্ষেত্রে আপনার সাথে যদি কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে তাহলে যাতে আপনার সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ না হয় সেজন্য শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্রয়োজন।

আপনি একবার ভাবুন তো যে,আপনি যদি না থাকেন তাহলে আপনার সন্তানের বা সন্তানকে নিয়ে ভাবা আপনার আশা আকাঙ্খাগুলো কি পূরণ হবে?

আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চয় আপনি কোন ঝুকি নিতে চান না।আপনার অবর্তমানে আপনার পরিবারের ও আপনার সন্তানের আরামপ্রদ জীবনযাত্রা ও শিক্ষা দারুণভাবে বাহত হতে পারে। আমাদের শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা আপনাকে এ ধরনের দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি দিতে পারে এবং আপনার পরিবার ও সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।

আপনার সন্তানের বয়স যদি ৩০ দিন থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছর হয় তাহলে আপনি এই পরিকল্পটি নিতে পারেন এবং আপনার বয়স ২১ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ বছর হতে হবে। 

শিক্ষা নিরাপত্তা বীমার পরিমাণ সড়বনিম্ন ১,০০,০০০ টাকা থেকে ২০,০০,০০০ টাকা।

আপনার সন্তানের যে সময় পর্যন্ত টাকার প্রয়োজন হতে পারে তার সাথে মিল রেখে আপনি পরিকল্পের মেয়াদ নিতে পারেন এবং এটি হতে পারে ১০ থেকে ২১ বছর পর্যন্ত।

প্রিমিয়াম প্রদানের ক্ষেত্রে আপনি মাসিক,ত্রৈমাসিক,ষাণ্মাসিক বা বার্ষিক আকারে প্রিমিয়াম প্রদান করতে পারেন।


শিক্ষা নিরাপত্তা বীমার সুবিধাঃ

১।মেয়াদপূর্তির ক্ষেত্রে আপনি পাবেন মূলধনসহ আকর্শনীয় লভ্যাংশ।

২।আপনি যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে প্রতি মাসে আপনার সন্তান বীমা অংকের ১% টাকা শিক্ষা বৃত্তি পাবে।

৩।আপনি যদি পুরোপুরি পঙ্গু হয়ে যান তাহলে আপনার প্রিমিয়াম মওকুফ হয়ে যাবে ও মেয়াদপূর্তি পর্যন্ত চালু থাকবে।

৪। আপনি যদি আংশিক পঙ্গু হয়ে যান তাহলে বীমা অংকের অর্ধেক টাকা আপনাকে প্রদান করা হবে।

৫।মেয়াদপূর্তির পর বোনাসসহ বীমাকৃত টাকা আপনার সন্তানকে প্রদান করা হবে।

৬। এছাড়া কিছু অতিরিক্ত প্রিমিয়াম প্রদান করার মাধ্যমে ৮ টি জটিল রোগের চিকিৎসা খরচ পাবেন যা কোম্পানির সর্তানুযায়ী।


Saturday, January 23, 2021

জীবন বীমার সুবিধা সমূহ

জীবন বীমা কীঃ 
আমরা সকলে এ দুনিয়াতে ক্ষনস্থায়ী তথা আমাদের সকলকে মৃত্যুবরণ করতে হবে এটা চিরন্তন সত্য। এ সত্যকে আমরা মেনে নিলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা অনেক কিছু চিন্তা করি আর নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকি।আমরা যেন ভবিষ্যতে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারি এবং আমাদের পরিবার পরিজন যেন সুখে থাকে সেজন্য বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকি।বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে জীবন বীমা অন্যতম একটি পরিকল্পনা। জীবন বীমা এমন একটি পরিকল্পনা যার মাধ্যমে একজন মানুষ বিভিন্ন ধরনের অনাকাংখিত সমস্যার সময় আর্থিক নিরাপত্তা পেয়ে থাকে। কেননা বীমা শব্দটির অর্থ হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যা একজন মানুষের সাথে একটি বীমা কোম্পানী সম্পাদন করে থাকে এবং বিভিন্ন ধরের আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে।

আমেরিকান লাইফ ইন্সুইরেন্স কোম্পানী (মেটলাইফ) জীবন বীমার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে,যথাঃ

১। মেয়াদপূর্তিতে মূলধনসহ আকর্ষনীয় লভ্যাংশ প্রদান করে।

২। গ্রাহক স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করলে যতটাকার উদ্দেশ্যে তিনি বীমা খুলেছিলেন তা নমিনিকে প্রদান করে।

৩। গ্রাহক দূর্ঘটনার কারনে যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে বীমা অংকের ৩ গুন টাকা প্রদান করে।

৪। গ্রাহক দূর্ঘটনার কারণে যদি আংশিক পঙ্গু হয়ে যান তাহলে বীমা অংকের অর্ধেক এবং সম্পূর্ণ পঙ্গু হলে বীমা অংকের দ্বিগুণ পরিমান টাকা প্রদান করে।

৫। গ্রাহক যদি প্রতি হাজারে তার বয়স অনুযায়ী কিছু অতিরিক্ত টাকা প্রদান করেন তাহলে ৮ টি বড় অসুখ যেমনঃ স্ট্রোক, ক্যানসার(ত্বকের ক্যানসার ব্যাতিত), প্রথম হার্ট অ্যাটাক, করোনারী আর্টারি সার্জারী,ধমনী সংক্রান্ত ফুসফুসের উচ্চ রক্তচাপের মত রোগের ক্ষেত্রে বীমা অংকের সমপরিমাণ টাকা ১ বারের জন্যে চিকিৎসা খরচ হিসেবে প্রদান করে তবে এ অসুখগুলো বীমা খোলার ১৮০ দিন পর হলে এ সুবিধা প্রদান করা হয়।

৬। এছাড়া গ্রাহককে একটি লাইফ কার্ড প্রদান করা হয় যার মাধ্যমে গ্রাহক তার স্ত্রীসহ,সন্তানদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মেটলাইফের সাথে চুক্তিকৃত হসপিটাল ও ক্লিনিকসমূহে ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে ১০% থেকে সর্বোচ্চ ৪০% ছাড় পেয়ে থাকে।

৭। এছাড়া গ্রাহক তার জমাকৃত টাকার ১৫% টাকা ইনকাম ট্যাক্সে রেয়াত সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।

আমেরিকান লাইফ ইন্সুইরেন্স কোম্পানী (মেটলাইফ)

আমেরিকান লাইফ ইন্সুইরেন্স কোম্পানী (মেটলাইফ) ১৮৬৮ সালের ২৬শে মার্চ আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ৬০ টিরও বেশি দেশে মেটলাইফ তার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে তন্মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।বাংলাদেশে বীমা কোম্পানীগুলোর মধ্যে ১৯৯৭ সাল থেকে মেটলাইফ ১নম্বরে অবস্থান করছে।

বিশ্বে মেটলাইফের গ্রাহক সংখ্যা ৯ কোটিরও বেশি এবং বাংলাদেশে এর গ্রাহক সংখ্যা বর্তমানে ১০ লক্ষ ছাড়িয়েছে। মেটলাইফের গ্রাহক সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে এর সততা ও সর্বত্তম সেবা।সততা ও সর্বোচ্চ সেবার কারনে মেটলাইফ বীমা শিল্পে বিশ্বে ১৫২ বছর ধরে এবং বাংলাদেশে ১৯৫২ সাল থেকে সুনামের সাথে তার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বাংলাদেশে বীমা কোম্পানি গুলোর মধ্যে ১৯৯৭ সাল থেকে মেটলাইফ ১ নম্বরে অবস্থান করছে এবং বীমা শিল্পের এক তৃতীয়াংশ মেটলাইফের অধীনে।মেটলাইফ বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে যা সত্যিকার অর্থেই প্রশংসনীয়। 

শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্লাস(ইপিপি)

শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্লাস কী? আপনার সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষা নিরাপত্তা বীমা প্লাস হচ্ছে এমন একটি পরিসেবা যা আপনার সন্তানের নিরা...